<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>উক্তি Archives - Sufigraphy</title>
	<atom:link href="https://sufigraphy.com/category/%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sufigraphy.com/category/উক্তি/</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sun, 24 May 2026 12:19:48 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://sufigraphy.com/wp-content/uploads/2026/01/Sufigraphy-logo-150x150.png</url>
	<title>উক্তি Archives - Sufigraphy</title>
	<link>https://sufigraphy.com/category/উক্তি/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>হজরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)-এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/quates-of-khaza-garib-e-nawaz/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/quates-of-khaza-garib-e-nawaz/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sufieditor]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 May 2026 05:44:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=3566</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. যে কিছু অর্জন করেছে, সে সেবার মাধ্যমেই অর্জন করেছে। তাই মুরিদের জন্য অপরিহার্য হলো পীরের নির্দেশ থেকে বিন্দুমাত্রও অতিক্রম না করা। নামাজ, তাসবিহ এবং অন্যান্য আমল সম্পর্কে পীর যা নির্দেশ দেন, তা মনোযোগ সহকারে শোনা এবং যথাযথভাবে পালন করা, যাতে সে কোনো উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছাতে পারে। কারণ, পীরই মুরিদকে গড়ে তোলেন; পীর যা কিছু [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/quates-of-khaza-garib-e-nawaz/">হজরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)-এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. যে কিছু অর্জন করেছে, সে সেবার মাধ্যমেই অর্জন করেছে। তাই মুরিদের জন্য অপরিহার্য হলো পীরের নির্দেশ থেকে বিন্দুমাত্রও অতিক্রম না করা। নামাজ, তাসবিহ এবং অন্যান্য আমল সম্পর্কে পীর যা নির্দেশ দেন, তা মনোযোগ সহকারে শোনা এবং যথাযথভাবে পালন করা, যাতে সে কোনো উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছাতে পারে। কারণ, পীরই মুরিদকে গড়ে তোলেন; পীর যা কিছু বলেন, তা মুরিদের পরিপূর্ণতার জন্যই বলেন।”</p>
<p>২. আরিফগণ মহান মর্যাদার অধিকারী এবং তারা আল্লাহর ভালোবাসায় নিমগ্ন। যখন কোনো ব্যক্তি রাতে অজু অবস্থায় থাকে (অজু করে ঘুমায়), তখন নির্দেশ দেওয়া হয় যে, ফেরেশতারা তার সঙ্গে থাকুক। তারা সকাল পর্যন্ত আল্লাহর কাছে এ দোয়া করতে থাকে, “হে আল্লাহ, এই বান্দাকে ক্ষমা করে দিন, কারণ সে পবিত্র অবস্থায় ঘুমিয়েছে।”</p>
<p>৩. ‘আরিফ’ বলা হয় সেই ব্যক্তিকে, যিনি আল্লাহ তায়ালার পরিচয় লাভ করেছেন, তাঁর সাথে অন্তরের গভীর সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং সর্বদা তাঁর স্মরণ ও ভালোবাসায় নিমগ্ন থাকেন।</p>
<p>৪. যে সমগ্র জগতের আধ্যাত্মিক জ্ঞান রাখে, নিজের বুদ্ধি থেকে অসংখ্য অর্থ উদ্ভাবন ও বর্ণনা করতে পারে, প্রেমের সূক্ষ্মতম রহস্যের উত্তর দিতে সক্ষম হয় এবং সর্বদা এমন এক সমুদ্রের মাঝে সাঁতার কাটতে থাকে, যাতে সে আল্লাহর রহস্য ও নুরের মুক্তা আহরণ করে তা প্রজ্ঞাবান জহুরীদের সামনে উপস্থাপন করতে পারে, সে-ই আরিফ।</p>
<p>৫. নামাজ মুমিনের মেরাজ, যেমন হাদিস শরীফে এসেছে, ‘আস-সালাতু মি‘রাজুল মু’মিনীন।’ এরপর তিনি বলেন, নামাজ এক গোপন কথা, যা বান্দা তার প্রভুর সাথে বলে। হাদিসে এসেছে, ‘আল-মুসাল্লি ইউনাজি রাব্বাহু।’ অর্থাৎ, নামাজ আদায়কারী তার প্রভুর সাথে গোপনে কথা বলে। নামাজ বান্দাদের জন্য আল্লাহর এক আমানত। সুতরাং, বান্দাদের উচিত এই আমানতের হক এমনভাবে আদায় করা, যাতে এতে কোনো প্রকার খিয়ানত না হয়।”</p>
<p>৬. নামাজ হলো দ্বীনের মূল স্তম্ভ। যখন এই স্তম্ভ অটল থাকে, তখন পুরো দ্বীনও অটল থাকে।</p>
<p>৭. যে ব্যক্তি কোনো ক্ষুধার্তকে আহার করায়, আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তার এবং জাহান্নামের মাঝে সাতটি পর্দা স্থাপন করে দেবেন।</p>
<p>৮. যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম খায়, সে যেন নিজের পরিবারকেই ধ্বংস করে ফেলে; তার জীবন থেকে বরকত উঠিয়ে নেওয়া হয়।</p>
<p>৯. ভালোবাসায় সত্যবাদী সেই ব্যক্তি, যার উপর ভালোবাসা ও আকাঙ্ক্ষা এতটাই প্রাধান্য পায় যে, তার মাথায় যদি লক্ষ লক্ষ তরবারির আঘাতও করা হয়, তবুও সে তা অনুভব করে না।</p>
<p>১০. আল্লাহর সঙ্গে বন্ধুত্বে সত্যবাদী সে ব্যক্তি, যার দেহ টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়, আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়, তবুও সে কোনো অভিযোগ করে না।</p>
<p>১১. অকারণে কোনো মুসলমান ভাইকে কষ্ট দেওয়ার চেয়ে বড়ো গুনাহ আর নেই। এতে আল্লাহ ও তাঁর রসুল উভয়ই অসন্তুষ্ট হন।</p>
<p>১২. গুনাহ তোমার যতটা ক্ষতি করতে পারে, তার চেয়েও বেশি ক্ষতি হয় যখন তুমি কোনো মুসলমান ভাইকে অপমান ও লাঞ্ছিত করো।</p>
<p>১৩. যখন কেউ আল্লাহ তায়ালার নাম শুনে বা তাঁর কালাম (কুরআন) শ্রবণ করে, আর তার অন্তর নম্র না হয়, আল্লাহভীতি বৃদ্ধি না পায় এবং ইমান মজবুত না হয়, তবে তা বড়ো গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>১৪. পাঁচটি জিনিসের দিকে তাকানোও ইবাদত। ১. মা-বাবার চেহারার দিকে তাকানো। হাদিসে এসেছে, যে সন্তান ভালোবাসার সঙ্গে তার পিতা-মাতার মুখের দিকে তাকায়, তার আমলনামায় একটি হজের সওয়াব লেখা হয়। ২. কুরআন শরিফের দিকে তাকানো। আল্লাহর কালামের প্রতি দৃষ্টি দেওয়াও ইবাদত। ৩. কোনো আলেম বা বুজুর্গের চেহারার দিকে সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকানো। ৪. খানায়ে কাবার দরজার জিয়ারত করা এবং কাবা শরিফ দেখা। ৫. নিজ মুরশিদের চেহারার দিকে তাকানো এবং তাঁর খিদমতে নিয়োজিত থাকা।</p>
<p>১৫. আল্লাহ তায়ালার ক্ষমতার বাইরে কিছুই নেই। তাই একজন মুমিনের উচিত আল্লাহর নির্দেশ পালন করতে কোনো প্রকার অবহেলা না করা। তখন সে যা কামনা করবে, তাই লাভ করতে সক্ষম হবে।</p>
<p>১৬. সুরা ফাতিহা সব ধরনের ব্যথা ও রোগের জন্য শিফা (আরোগ্য)। যে রোগ কোনো চিকিৎসায় ভালো হয় না, সে ব্যক্তি যদি ফজরের সুন্নত ও ফরজের মাঝে ‘বিসমিল্লাহ’সহ ৪১ বার সুরা ফাতিহা পাঠ করে এবং দম করে, তবে তা দূর হয়ে যায়।</p>
<p>১৭. রাতকে তিন ভাগে বিভক্ত করো। প্রথম অংশ নামাজে ব্যয় করো। দ্বিতীয় অংশ তাহাজ্জুদে কাটাও। যা চার রাকাতে (চার সালামে) আদায় করবে এবং যতটুকু কুরআন মুখস্থ আছে তা পড়বে। এরপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেবে। পুনরায় উঠে নতুন অজু করে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর স্মরণে মশগুল থাকবে।</p>
<p>১৮. যে আল্লাহকে চিনে ফেলেছে, অথচ সৃষ্টি থেকে দূরে সরে যায় না, তবে বুঝে নাও, তার মধ্যে কোনো নিয়ামত নেই।</p>
<p>১৯. আরিফ সে ব্যক্তি, যে তার অন্তরের সবকিছু বের করে দেয়, যাতে তা আল্লাহ ছাড়া অন্যকিছুর প্রতি আসক্তি না থাকে। তখন আল্লাহ তায়ালা তার কাছ থেকে কোনোকিছুই গোপন রাখেন না এবং সে উভয় জগত থেকেই নির্লিপ্ত হয়ে যায়।</p>
<p>২০. আরিফ দুনিয়ার শত্রু এবং প্রভুর বন্ধু। সে দুনিয়া থেকে বিমুখ থাকে এবং অতিরিক্ত ভালোবাসা বা হিংসা-বিদ্বেষের মধ্যে জড়ায় না।</p>
<p>২১. আমি আমার পীর হজরত খাজা উসমান হারুনি (রহ.)-এঁর নিকট থেকে শুনেছি, যদি কারো মধ্যে তিনটি গুণ থাকে, তবে বুঝবে আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ভালোবাসেন। তা হলো— সাখাওয়াত (দানশীলতা), শফকত (মমতা) এবং তাওয়াজু (নম্রতা)। দানশীলতা হবে নদীর মতো, মমতা হবে সূর্যের মতো, আর নম্রতা হবে মাটির মতো।</p>
<p>২২. নেককারদের সঙ্গ, নেক কাজের চেয়েও উত্তম; আর খারাপ লোকদের সঙ্গ, খারাপ কাজের চেয়েও অধিক ক্ষতিকর।</p>
<p>২৩. দুনিয়ায় সর্বোত্তম তিন ব্যক্তি হলো, সে আলেম, যিনি নিজের জ্ঞান অনুযায়ী কথা বলেন। সে ব্যক্তি, যার মধ্যে লোভ নেই। সে আরিফ, যিনি সর্বদা তাঁর প্রভুর প্রশংসা ও গুণগান করেন।</p>
<p>২৪. ভালোবাসায় সত্যবাদী সে ব্যক্তি, যে আত্মীয়-স্বজনের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি ত্যাগ করে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে। প্রকৃত প্রেমিক সে, যে আল্লাহর বাণীর নির্দেশ অনুসরণ করে এবং আল্লাহর ভালোবাসায় সত্যনিষ্ঠ থাকে।</p>
<p>২৫. সত্যিকারের আরিফ সে ব্যক্তি, যার নিজের কোনোকিছুর মালিকানা নেই এবং সে নিজেও কারো মালিকানাধীন নয়।</p>
<p>২৬. আরিফদের তাওয়াক্কুল হলো, তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ওপর নির্ভর করে না এবং কোনো কিছুর প্রতি মনোযোগ দেয় না।</p>
<p>২৭. তাওবায়ে নসুহার মধ্যে তিনটি বিষয় রয়েছে। রোজার জন্য কম খাওয়া, ইবাদতের জন্য কম ঘুমানো, দোয়ার জন্য কম কথা বলা। প্রথমটি থেকে আল্লাহভীতি সৃষ্টি হয়, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয়টি থেকে আল্লাহর ভালোবাসা জন্ম নেয়।</p>
<p>২৮. আরিফগণ সূর্যের ন্যায়, যারা পৃথিবীতে আলো ছড়ায় এবং তাদের নুর দ্বারা সমগ্র জগৎ আলোকিত হয়।</p>
<p>২৯. আরিফ সূর্যের মতো, যার আলোতে কোনো কিছুই বঞ্চিত থাকে না।</p>
<p>৩০. একবার খাজা গরিব নাওয়াজকে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘মুরিদ কখন স্থিরচিত্ত হয়?’ তিনি বললেন, “যখন তাঁর  আমলনামায় কোনো গুনাহ লিখার জন্য ফেরেশতা এক বছর ধরে অপেক্ষা করে গুনাহ লিখতে না পারে।”</p>
<p>৩১. আহলে মহব্বতের লক্ষণ হলো আল্লাহর আদেশে পূর্ণতা-সহ অনুগত থাকা এবং সবসময় ভয় পেতে থাকা যেন নিজের কর্ম দ্বারা তাঁর কাছ থেকে দূরে চলে না যায়।</p>
<p>৩২. অশুভর লক্ষণ হলো গুনাহ করা এবং মনে করা যে, তুমি তবু গ্রহণযোগ্য থাকবে।</p>
<p>৩৩. আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় গুণাবলি হলো দুঃখী ও কষ্টপ্রাপ্তদের আহাজারি শোনা, দরিদ্রদের প্রয়োজন পূরণ করা, ক্ষুধার্তদের খাদ্য প্রদান করা।<a href="#_ftn42" name="_ftnref42">[42]</a></p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/quates-of-khaza-garib-e-nawaz/">হজরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)-এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/quates-of-khaza-garib-e-nawaz/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইমাম গাজালি (রহ.)-এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/quotes-of-imam-gazali/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/quotes-of-imam-gazali/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sufieditor]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 06 May 2026 04:35:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=3562</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. দুনিয়া ও আখেরাত: গাজ্জালি (রহ.) এভাবে লিখেছেন, দুনিয়া হলো আখেরাতের শস্যক্ষেত্র। এটি হেদায়েতের পথে একটি ধাপমাত্র। একে ‘দুনিয়া’ বলা হয়েছে, কারণ এটি আখেরাতের তুলনায় অতি নিকটবর্তী ও নিকৃষ্ট। ২. ইবাদতে আত্মপ্রশংসা: কখনো মানুষ ইবাদতের মাঝে নিজের অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করে এবং মনে করে, তার কারণে অন্যরাও উপকৃত হচ্ছে। অথচ সে জানে না, এই আত্মগর্বই [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/quotes-of-imam-gazali/">ইমাম গাজালি (রহ.)-এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. দুনিয়া ও আখেরাত: গাজ্জালি (রহ.) এভাবে লিখেছেন, দুনিয়া হলো আখেরাতের শস্যক্ষেত্র। এটি হেদায়েতের পথে একটি ধাপমাত্র। একে ‘দুনিয়া’ বলা হয়েছে, কারণ এটি আখেরাতের তুলনায় অতি নিকটবর্তী ও নিকৃষ্ট।</p>
<p>২. ইবাদতে আত্মপ্রশংসা: কখনো মানুষ ইবাদতের মাঝে নিজের অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করে এবং মনে করে, তার কারণে অন্যরাও উপকৃত হচ্ছে। অথচ সে জানে না, এই আত্মগর্বই যদি আল্লাহর নিকট অপছন্দ হয়, তবে সে ধ্বংসের যোগ্য হয়ে পড়ে।</p>
<p>৩. ইলমের আলো ও অন্তরের অন্ধকার: ইলমের আলো কোনো অভাবের কারণে অন্তর থেকে উঠে যায় না; বরং অন্তরের গুনাহ, অশুদ্ধতা ও দুনিয়ার আসক্তির কারণে তা ঢেকে যায়। অন্তর হলো পাত্রের মতো, যদি তা অন্য কিছুতে পূর্ণ থাকে, তবে সেখানে আল্লাহর নুর প্রবেশ করতে পারে না।</p>
<p>৪. সর্বোত্তম জ্ঞান: আল্লাহ তায়ালা, তাঁর গুণাবলি এবং তাঁর কার্যাবলি সম্পর্কে জ্ঞানই হলো সর্বোত্তম জ্ঞান। এই জ্ঞানের মধ্যেই মানুষের প্রকৃত পূর্ণতা ও চূড়ান্ত সৌভাগ্য নিহিত।</p>
<p>৫. যিকর ও আধ্যাত্মিক উন্মোচন: জিকির অন্তর ও দৃষ্টিকে আলোকিত করে। এটি মুত্তাকিদের বৈশিষ্ট্য। তাকওয়া হলো জিকিরের পথ, জিকির হলো কাশফের পথ, আর কাশফ হলো মহা সাফল্যের দরজা।</p>
<p>৬. আকল ও শরিয়তের সম্পর্ক: যারা মনে করে আকল (যুক্তি) ও শরিয়ত পরস্পর বিরোধী, তারা ভুলের মধ্যে আছে। প্রকৃতপক্ষে উভয়ই সত্যের ভিন্ন প্রকাশমাত্র। একটিকে বাদ দিলে অপরটি পূর্ণতা পায় না।</p>
<p>৭. প্রকৃত তাকওয়া: পরহেজগারী চেহারার কঠোরতা বা বাহ্যিক ভঙ্গিমায় নয়; বরং অন্তরের পবিত্রতায়। যে ব্যক্তি ইলম নিয়ে অহংকার করে, সে প্রকৃত মুত্তাকি নয়।</p>
<p>৮. ইলমে লাদুন্নি: ইলমে লাদুন্নি এমন এক জ্ঞান, যা কোনো বাহ্যিক মাধ্যম ছাড়াই আল্লাহ তায়ালা সরাসরি বান্দার অন্তরে দান করেন।</p>
<p>৯. আলেমদের হিংসা: যখন আলেমদের মধ্যে হিংসা, বিদ্বেষ ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়, তখন বুঝতে হবে তারা আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়াকে বেছে নিয়েছে।</p>
<p>১০. আমলের অনুসরণ: যে ব্যক্তি কোনো ইমামের অনুসারী বলে দাবি করে, কিন্তু তার আমল ও আদর্শ অনুসরণ করে না, কিয়ামতের দিন সেই ইমাম তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।</p>
<p>১১. আত্মগর্বের অজ্ঞতা: সবচেয়ে বড় অজ্ঞ ব্যক্তি সে, যে নিজের বুদ্ধি ও জ্ঞান নিয়ে অহংকার করে। আর সবচেয়ে জ্ঞানী সে, যে সর্বদা নিজের নফসকে সন্দেহের চোখে দেখে।</p>
<p>১২. কুধারণার লক্ষণ: যে ব্যক্তি মানুষের দোষ অনুসন্ধান করে এবং সবার প্রতি কুধারণা পোষণ করে, তার অন্তরই মূলত কলুষিত। কারণ, মুমিনের হৃদয় সবসময় সবার প্রতি সৎ ও পরিষ্কার ধারণায় পূর্ণ থাকে।</p>
<p>১৩. নফস নিয়ন্ত্রণ: সুখের ভিত্তি হলো নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা। আর চূড়ান্ত বিপর্যয় হলো নফসের দাসে পরিণত হওয়া।</p>
<p>১৪. শয়তানের ধোঁকা: যে ব্যক্তি শয়তানের কৌশল ও নফসের প্রতারণা সম্পর্কে অজ্ঞ, তার অধিকাংশ ইবাদতই ব্যর্থতায় পরিণত হয়। সে দুনিয়া ও আখেরাত উভয়ই হারায়।</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/quotes-of-imam-gazali/">ইমাম গাজালি (রহ.)-এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/quotes-of-imam-gazali/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত সৈয়দ আহমদ রেফায়ি (রহ.) এর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sufieditor]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 08:02:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=3225</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. যে ব্যক্তি এমন বিষয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখে, যা তার জন্য জরুরি নয়; সে অবশ্যই সেই জরুরি বিষয় থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়। ২. মানুষের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা আল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্নতা ডেকে আনে। ৩. আদব হলো ফকিরদের সুন্নত এবং ধনীদের উত্তরাধিকার। ৪. তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, “দোয়া কবুল না হওয়ার কারণ কী?” তিনি উত্তর দিলেন, “হালাল [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b0/">হজরত সৈয়দ আহমদ রেফায়ি (রহ.) এর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. যে ব্যক্তি এমন বিষয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখে, যা তার জন্য জরুরি নয়; সে অবশ্যই সেই জরুরি বিষয় থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।</p>
<p>২. মানুষের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা আল্লাহ থেকে বিচ্ছিন্নতা ডেকে আনে।</p>
<p>৩. আদব হলো ফকিরদের সুন্নত এবং ধনীদের উত্তরাধিকার।</p>
<p>৪. তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, “দোয়া কবুল না হওয়ার কারণ কী?”</p>
<p>তিনি উত্তর দিলেন, “হালাল উপার্জনের অভাবের কারণে!”</p>
<p>৪. তাঁকে ফুতুওয়াত (নৈতিক বীরত্ব) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “ভাইদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেওয়াই ফুতুওয়াত। আর নিজের জন্য অন্যের উপর কোনো শ্রেষ্ঠত্ব কল্পনা না করা।”</p>
<p>৫. যখন তিনি মৃত্যুশয্যায় শায়িত ছিলেন, তখন তাঁর এক সঙ্গী বললেন, ‘আমাদের কিছু উপদেশ দিন।’ তিনি বললেন, “যে ব্যক্তি জীবনে কল্যাণকর কাজ করেছে সে তার সুফল পাবে, আর যে মন্দ কাজ করেছে সে লজ্জিত হবে।”</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b0/">হজরত সৈয়দ আহমদ রেফায়ি (রহ.) এর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a6-%e0%a6%86%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত আবু আলি আর-রুজবারি (রহ.) এর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Sufieditor]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 05:51:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=3100</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. সবচেয়ে উপকারী ইয়াকিন (নিশ্চয়তা) হলো— যেটি আল্লাহকে তোমার দৃষ্টিতে মহান করে তোলে, তিনি ছাড়া বাকি সবকিছুকে তুচ্ছ করে রাখে, আর তোমার অন্তরে ভয় ও আশা দুটোকেই দৃঢ়ভাবে স্থাপন করে।” ১ ২. প্রতারিত হওয়ার একটি বড় রূপ হলো— তুমি অন্যায় কর, কিন্তু তোমার প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শিত হয়; আর তুমি তওবা-ইস্তিগফার ছাড়ো এই ভেবে যে, ছোটো [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be/">হজরত আবু আলি আর-রুজবারি (রহ.) এর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. সবচেয়ে উপকারী ইয়াকিন (নিশ্চয়তা) হলো— যেটি আল্লাহকে তোমার দৃষ্টিতে মহান করে তোলে, তিনি ছাড়া বাকি সবকিছুকে তুচ্ছ করে রাখে, আর তোমার অন্তরে ভয় ও আশা দুটোকেই দৃঢ়ভাবে স্থাপন করে।” ১</p>
<p>২. প্রতারিত হওয়ার একটি বড় রূপ হলো— তুমি অন্যায় কর, কিন্তু তোমার প্রতি অনুকম্পা প্রদর্শিত হয়; আর তুমি তওবা-ইস্তিগফার ছাড়ো এই ভেবে যে, ছোটো ভুলগুলোতে তোমাকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে এবং তুমি মনে কর— এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার প্রতি দয়া বিস্তারের লক্ষণ!” ২</p>
<p>৩. যে তোমার নিচে আছে, তার প্রতি করুণা প্রকাশ করা দুর্বলতার চিহ্ন; আর যে তোমার উপরে আছে, তার প্রতি দৃঢ়তা প্রদর্শন করা অহঙ্কারের চিহ্ন।”</p>
<p>৪. কাজের চেয়ে কথার আধিক্য হলো ত্রুটি বা হীনতা। আর কথার চেয়ে কাজের আধিক্য হলো মর্যাদা বা সম্মান।</p>
<p>৫. যে ধৈর্যধারণ করে না তার কোনো সন্তুষ্টি (রিদা) নেই, আর যে কৃতজ্ঞতা আদায় করে না তার কোনো পূর্ণতা নেই। আল্লাহর সাহায্যেই আরিফগণ (আল্লাহর পরিচয় লাভকারীরা) তাঁর ভালোবাসা পর্যন্ত পৌঁছেছেন এবং তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেছেন।</p>
<p>৬. যদি তাওহিদ-পন্থীরা ‘তাজরিদ’ এর ভাষায় (সবকিছু থেকে বিচ্যুত হয়ে কেবল আল্লাহর সত্তায় নিমগ্ন হওয়ার ভাষায়) কথা বলতেন, তবে কোনো সত্যপন্থী ব্যক্তিই (তা সহ্য করে) জীবিত থাকতে পারতেন না, বরং (তীব্রতায়) মৃত্যুবরণ করতেন।</p>
<p>৭. যে ব্যক্তি একবারও নিজের সত্তার দিকে (গর্ব সহকারে) তাকায়, সে জগতের কোনোকিছুর দিকেই শিক্ষণীয় দৃষ্টিতে তাকানো থেকে অন্ধ হয়ে যায়। ৩</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be/">হজরত আবু আলি আর-রুজবারি (রহ.) এর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত আবু বকর শিবলি (রহ.) এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Hamid]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 07:27:22 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=2896</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. তাঁকে ওয়াফা তথা আনুগত্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, তিনি বললেন, “তা হলো মুখের কথায় ইখলাস এবং অন্তরের গোপন বিষয়াদিকে সত্য দ্বারা পরিপূর্ণ করা।” ২. তাসাউফ মানে হলো অন্তরের মধ্যে মিলন ও একে-অপরের প্রতি সহমর্মিতা। ৩. তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘মানুষ কখন সত্যিকারের মুরিদ হয়?’ তিনি বললেন, “যখন তার অবস্থা সমান থাকে— যাত্রা ও অবস্থানে, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/">হজরত আবু বকর শিবলি (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. তাঁকে ওয়াফা তথা আনুগত্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, তিনি বললেন, “তা হলো মুখের কথায় ইখলাস এবং অন্তরের গোপন বিষয়াদিকে সত্য দ্বারা পরিপূর্ণ করা।”</p>
<p>২. তাসাউফ মানে হলো অন্তরের মধ্যে মিলন ও একে-অপরের প্রতি সহমর্মিতা।</p>
<p>৩. তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘মানুষ কখন সত্যিকারের মুরিদ হয়?’ তিনি বললেন, “যখন তার অবস্থা সমান থাকে— যাত্রা ও অবস্থানে, প্রকাশ্য ও গোপনে।”</p>
<p>৪. তোমরা তোমাদের মধ্যে নিচে অবস্থিত, আর আমি আমার মধ্যে উপরে অবস্থিত। এতে আল্লাহর কাছে মনোভাব ও অবস্থার পার্থক্য নির্দেশ করা হয়েছে।</p>
<p>৫. যে আল্লাহকে চিনতে পেরেছে, সবকিছুই তার কাছে নতি স্বীকার করে; কারণ সে তাতে আল্লাহর রাজত্বের প্রভাব স্বচক্ষে দেখেছে।</p>
<p>৬. তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘কী দ্বারা হাওয়া (নফসের কামনা) দমন করা যায়?’ তিনি বলেন, “স্বভাবের সাধনা এবং পর্দা উন্মোচন। অর্থাৎ, নফসকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং হৃদয়ের পর্দা সরিয়ে সত্যকে দেখা।”</p>
<p>৭. তোমার উদ্দেশ্য যেন তোমার সাথেই থাকে, তা যেন সামনেও না যায় এবং পিছনেও না আসে। অর্থাৎ, অতীত বা ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে বর্তমান মুহূর্ত এবং আল্লাহর সাথে তোমার যে অবস্থা, তাতে স্থির থাকো।</p>
<p>৮. আরেফিনদের জন্য চোখের পলকের সমপরিমাণ সময় আল্লাহ থেকে অন্যমনস্ক হওয়াও আল্লাহর সাথে শিরক করার শামিল।</p>
<p>৯. আল্লাহর সামনে দুঃখিত থাকার চেয়ে আল্লাহর প্রতি আনন্দিত থাকা উত্তম।</p>
<p>১০. হকের  অনুসারীদের অন্তর মারিফাতের ডানা মেলে তাঁর দিকে উড়ে যায় এবং মহব্বতের মিত্রতার মাধ্যমে তাঁর দিকে সুসংবাদ লাভ করে।</p>
<p>১১.  স্বাধীনতা হলো একমাত্র হৃদয়ের স্বাধীনতা, অন্য কিছু নয়।</p>
<p>১২. যে ব্যক্তি সৃষ্টিকর্তা থেকে সৃষ্টবস্তু দ্বারা আড়াল হয়েছে, সে তার মতো নয়, যে সৃষ্টবস্তু থেকে সৃষ্টিকর্তা দ্বারা আড়াল হয়েছে। আর যাকে তাঁর কুদসের (পবিত্রতার) আলো তাঁর আনন্দের দিকে আকর্ষণ করেছে, সে তার মতো নয়, যাকে তাঁর রহমতের আলো তাঁর ক্ষমার দিকে আকর্ষণ করেছে।১</p>
<p>১৩. তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘সর্বাধিক বিস্ময়কর জিনিস কী?’ তিনি উত্তর দিলেন, “একটি হৃদয়; যা তার রবকে চিনে, তারপরও তাঁর অবাধ্য হয়।”</p>
<p>১৪. নফসের সাথে নফসকে লড়াই করানো— অন্যের সাথে লড়াই করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ।”</p>
<p>১৫. তুমি নিজের ওপর নিরাপদ হতে পারো না; যদিও পানির ওপর দিয়ে হাঁটো। নিরাপদ হবে তখনই, যখন প্রতারণার ঘর (দুনিয়া) থেকে আশার ঘরে (আখিরাত) চলে যাবে।”</p>
<p>১৬. যখন দেখবে তোমার হৃদয় আল্লাহর সঙ্গে, তখন নিজের নফস থেকে সাবধান হও। আর যখন দেখবে তোমার হৃদয় নিজের নফসের দিকে, তখন আল্লাহ থেকে সাবধান হও।</p>
<p>১৭. যে আল্লাহকে চিনেছে, তার জন্য কোনো দুঃখ থাকে না।</p>
<p>১৮. মানুষ আপনাকে ভালোবাসে আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের জন্য; আর আমি আপনাকে ভালোবাসি আপনার দেওয়া পরীক্ষা-বিপদের জন্য।</p>
<p>১৯. অন্ধ ব্যক্তি জাহরার সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারে না, সে শুধু তাকে স্পর্শ করে। তেমনি, জাহিল ব্যক্তি আল্লাহকে চিনতে পারে না, সে শুধু জিহ্বায় তাঁর নাম উচ্চারণ করে।২</p>
<p>২০. উচ্চ হিম্মতওয়ালা ব্যক্তি কোনোকিছুরই তোয়াক্কা করে না। আর যার ইরাদা (নির্দিষ্ট লক্ষ্য) আছে, সে অবশ্যই কোনো না কোনো কিছুর ব্যস্ততায় পড়ে থাকে।</p>
<p>২১. হিম্মত কেবল আল্লাহর জন্য; তাঁর ছাড়া অন্য কিছুকে লক্ষ্য বানানো হিম্মত নয়।</p>
<p>২২. কল্পনায় ভেবেছ, চিন্তায় ধরেছ, বুদ্ধিতে উপলব্ধি করেছ; সবই তোমাদের দিকে ফেরত যায়; এগুলো সৃষ্টি ও বানানো জিনিস—আল্লাহর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।</p>
<p>২৩. যে বলে— আল্লাহকে অভ্যাস দিয়ে চেনা যায়, সে মূর্খ। যে বলে— আল্লাহকে আকস্মিকতা বা ঘটনাচক্রে পাওয়া যায়, সে নির্বোধ। আর যে বলে— আমি আল্লাহর খাতিরে একনিষ্ঠ; তার একনিষ্ঠতার মধ্যেও শিরকের বাসা থাকে।</p>
<p>২৪. যে বলে আল্লাহ এমন এক সত্য, যাকে আমরা বাহ্যিক বাস্তবতা দিয়ে বুঝি, সে আল্লাহ সম্পর্কে অজ্ঞ। যে বলে আমি ওই বাস্তবতা আঁকড়ে আল্লাহকে ধরেছি, সে তাঁর ‘আদি সত্তা’ সম্পর্কে অজ্ঞ, যতক্ষণ পর্যন্ত সে এ কথা না বলে: ‘আল্লাহকে আল্লাহর মাধ্যমেই জানা যায়।</p>
<p>২৫. রুহগুলো সূক্ষ্ম হয়ে যায়; সত্যের দংশনে যখন চেতন হয়, তখন সত্য ছাড়া আর কোনো উপাস্যকে দেখতেই পায় না। তারা নিশ্চিত হয়ে যায়— সৃষ্ট জিনিস সীমাবদ্ধ গুণাবলি দিয়ে কখনোই চিরন্তন সত্তাকে উপলব্ধি করতে পারে না। যখন ‘হক’ তাকে পরিশুদ্ধ করেন, তখন তিনিই তাকে নিজের দিকে পৌঁছে দেন; বান্দা নিজে গিয়ে পৌঁছায় না।</p>
<p>২৬. সৃষ্টিকুল জ্ঞানের মধ্যে হারিয়ে গেছে; জ্ঞান নামের ভেতর হারিয়েছে; আর নাম সত্তার ভেতর হারিয়ে গেছে।৩</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/">হজরত আবু বকর শিবলি (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত ওয়াইস আল-কারনি (রহ.) এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Hamid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 05:48:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=2867</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. ঘুমানোর সময় মৃত্যুকে বালিশ বানিয়ে ঘুমান এবং তাকে সর্বদা চোখের সামনে রাখুন। ২. ঘুম থেকে উঠে নিজের অন্তর ও নিয়ত সংশোধনের দোয়া করুন, কারণ এর চেয়ে কঠিন চিকিৎসা আর নেই। ৩. পাপ কত ছোট তা দেখবেন না; বরং দেখুন কার নাফরমানি করছেন—তিনি কত মহান।১</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81/">হজরত ওয়াইস আল-কারনি (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="25">১. ঘুমানোর সময় মৃত্যুকে বালিশ বানিয়ে ঘুমান এবং তাকে সর্বদা চোখের সামনে রাখুন।</p>
<p data-path-to-node="25">২. ঘুম থেকে উঠে নিজের অন্তর ও নিয়ত সংশোধনের দোয়া করুন, কারণ এর চেয়ে কঠিন চিকিৎসা আর নেই।</p>
<p data-path-to-node="25">৩. পাপ কত ছোট তা দেখবেন না; বরং দেখুন কার নাফরমানি করছেন—তিনি কত মহান।১</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81/">হজরত ওয়াইস আল-কারনি (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b8-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব (রহ.) এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Hamid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 05:44:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=2864</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. ওই ব্যক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, যে বৈধ পথে সম্পদ উপার্জনের ইচ্ছা রাখে না; যার মাধ্যমে সে মানুষের পাওনা (হক) আদায় করবে এবং মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে নিজের চেহারাকে রক্ষা করবে (অর্থাৎ স্বাবলম্বী হবে)।১ ২. বান্দা আল্লাহর আনুগত্যের মতো অন্য কোনো কিছু দিয়ে নিজেকে এতটা সম্মানিত করতে পারে না। আবার আল্লাহর অবাধ্যতার মতো [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8d%e0%a6%af/">হজরত সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. ওই ব্যক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, যে বৈধ পথে সম্পদ উপার্জনের ইচ্ছা রাখে না; যার মাধ্যমে সে মানুষের পাওনা (হক) আদায় করবে এবং মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে নিজের চেহারাকে রক্ষা করবে (অর্থাৎ স্বাবলম্বী হবে)।১</p>
<p>২. বান্দা আল্লাহর আনুগত্যের মতো অন্য কোনো কিছু দিয়ে নিজেকে এতটা সম্মানিত করতে পারে না। আবার আল্লাহর অবাধ্যতার মতো অন্য কোনো কিছু দিয়ে নিজেকে এতটা লাঞ্ছিতও করতে পারে না। আর একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য হিসেবে এটুকুই যথেষ্ট যে, সে তার শত্রুকে আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত দেখতে পায়।</p>
<p>৩. আমি আশি বছর বয়সে উপনীত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে নারীদের (ফিতনার) চেয়ে ভয়ের আর কিছু নেই।’ বর্ণনাকারী আরও উল্লেখ করেন যে, তখন তাঁর দৃষ্টিশক্তি প্রায় চলে গিয়েছিল। এমনকি চুরাশি বছর বয়সে, যখন তিনি এক চোখে দেখতে পেতেন না এবং অন্য চোখেও খুব ঝাপসা দেখতেন, তখনও তিনি বলতেন, ‘শয়তান কোনো বিষয়ে নিরাশ হলে সে নারীদের মাধ্যমেই প্ররোচনা দিতে আসে; তাই নারীদের ফিতনাই আমার কাছে সবচেয়ে আশঙ্কার।</p>
<p>৪. আল্লাহর কুদরতি হাত তাঁর বান্দাদের ওপর। যে ব্যক্তি অহংকারবশত নিজেকে বড়ো মনে করে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন। আর যে আল্লাহর জন্য নিজেকে ছোটো (বিনয়ী) করে, আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেন। মানুষ আল্লাহর ছায়ার নিচেই তাদের আমলসমূহ করে থাকে; যখন আল্লাহ কোনো বান্দাকে অপমানিত করতে চান, তখন তাকে তাঁর নিরাপত্তা ও ছায়া থেকে বের করে দেন, ফলে মানুষের সামনে তার দোষ-ত্রুটি ও গোপন লজ্জা প্রকাশ হয়ে পড়ে।</p>
<p>৫. তোমরা জালিমদের সহযোগীদের দিকে (শ্রদ্ধার সাথে) চোখ ভরে তাকাবে না; বরং অন্তর থেকে তাদের ঘৃণা ও অস্বীকারের সাথেই তাকাবে। অন্যথায় তোমাদের নেক আমলগুলো বরবাদ হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>৬. যে ব্যক্তি আল্লাহর মাধ্যমে অমুখাপেক্ষী বা অভাবমুক্ত হয়, মানুষ তার প্রতি মুখাপেক্ষী হয়ে পড়ে।’ (অর্থাৎ যে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করে, আল্লাহ মানুষের হৃদয়ে তার প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করে দেন)।২</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8d%e0%a6%af/">হজরত সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%88%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত মারুফ আল-কারখী (রহ.) এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Hamid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 05:39:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=2861</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. যখন আল্লাহ কোনো বান্দার জন্য অমঙ্গল নির্ধারণ করেন, তখন তাঁর জন্য আমলের দরজা বন্ধ করে দেন আর বিতর্কের (বাগবিতণ্ডার) দরজা খুলে দেন। ২. যদি তুমি ঠিকভাবে পরহেযগারি করতে না জানো, তবে তুমি সুদ খাবে, নারীর দিকে চেয়ে দৃষ্টি নিচু করবে না, তলোয়ার তুলে রাখবে নিজের কাঁধে (অন্যদের প্রতি অত্যাচার করবে)। এমনকি এই আমাদের বৈঠকখানাও [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/">হজরত মারুফ আল-কারখী (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. যখন আল্লাহ কোনো বান্দার জন্য অমঙ্গল নির্ধারণ করেন, তখন তাঁর জন্য আমলের দরজা বন্ধ করে দেন আর বিতর্কের (বাগবিতণ্ডার) দরজা খুলে দেন।</p>
<p>২. যদি তুমি ঠিকভাবে পরহেযগারি করতে না জানো, তবে তুমি সুদ খাবে, নারীর দিকে চেয়ে দৃষ্টি নিচু করবে না, তলোয়ার তুলে রাখবে নিজের কাঁধে (অন্যদের প্রতি অত্যাচার করবে)। এমনকি এই আমাদের বৈঠকখানাও আমাদের জন্য ভয় করার বিষয়, কারণ এটি নেতৃত্বপ্রাপ্তের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ, আর অনুসারীর জন্য লাঞ্ছনার কারণ।</p>
<p>৩. ধার্মিক মানুষ অনেক, কিন্তু সত্যনিষ্ঠ মানুষ খুব অল্প।</p>
<p>৪. যে আল্লাহর সঙ্গে বিরোধ করে, আল্লাহ তাকে পরাজিত করেন; যে তাঁর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে, আল্লাহ তাকে দমন করেন; যে তাঁকে ধোঁকা দিতে চায়, আল্লাহ তাকে প্রতিহত করেন; যে তাঁর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান; যে তাঁর জন্য বিনয় অবলম্বন করে, আল্লাহ তাকে মর্যাদা দান করেন; আর যে ব্যক্তি নিজের কথায় এমন বিষয়ে জড়িয়ে যায় যা তার জন্য নয়, সে আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যাত।</p>
<p>৫. যে ব্যক্তি তার ইমামকে (ধর্মীয় নেতা বা শাসককে) অভিশাপ দেয়, সে তার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।১</p>
<p>৬. মারুফ আল-কারখীকে  এক ব্যক্তি বলল, ‘আমাকে পরামর্শ দিন।’ তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহর উপর ভরসা করো। তিনি তোমার শিক্ষক, সঙ্গী এবং অভিযোগের স্থান হোন। মানুষ তোমাকে সাহায্য করতে পারবে না বা ক্ষতি করতে পারবে না।’</p>
<p>৭. সিররি সাকতি রহ. বলেছেন, আমি মারুফ আল-কারখিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখো, এমনকি যদি তা কোনো স্ত্রী মেষের দিকেও হয়।’</p>
<p>৮. বিশ্বস্ততার বাস্তবতা হলো উদাসীনতার ঘুম থেকে ভেতরের গোপন সত্তার জেগে ওঠা এবং বিপথগামী দোষ-ত্রুটির বাহুল্য থেকে চিন্তাকে মুক্ত করা। বদান্যতা  হলো অসচ্ছলতার সময়ে নিজের প্রয়োজনীয় বিষয়টিকে অন্যের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া।</p>
<p>৯. আমল ছাড়া জান্নাত কামনা করা গুনাহগুলোর মধ্যে একটি গুনাহ। কারণ ছাড়া সুপারিশের (শাফায়াত) অপেক্ষা করা এক ধরনের প্রবঞ্চনা । আর যার আনুগত্য করা হয় না, তার কাছ থেকে রহমত আশা করা হলো অজ্ঞতা এবং নির্বুদ্ধিতা।</p>
<p>১০. আবুল ফাতহ আল-কাওয়াস আয্-যাহিদ বলেছেন, আমি আবু আমর আল-বুজুরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, মারুফ বলেছেন, ‘পবিত্র ব্যক্তিদের অন্তর তাকওয়া (আল্লাহভীতি) দ্বারা প্রসারিত হয় এবং পূণ্যের দ্বারা উজ্জ্বল হয়। আর পাপীদের  অন্তর পাপাচারে অন্ধকার হয় এবং খারাপ নিয়তের কারণে অন্ধ হয়ে যায়।’</p>
<p>১১. যখন আল্লাহ কোনো বান্দার জন্য কল্যাণ চান, তখন তিনি তার জন্য কর্মের দরজা খুলে দেন, আর তার থেকে অবসাদ ও আলস্যের দরজা বন্ধ করে দেন।২</p>
<p>১২. দুনিয়া চারটি জিনিস— সম্পদ, কথা, ঘুম এবং খাদ্য। সম্পদ মানুষকে বিদ্রোহী করে, কথা মানুষকে ভুলিয়ে রাখে, ঘুম মানুষকে ভুলিয়ে দেয় এবং খাদ্য মানুষকে সিক্ত করে (পাপে অথবা চিন্তায় জড়িয়ে রাখে)।৩</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/">হজরত মারুফ আল-কারখী (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%ab-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত রাবেয়া বসরি (রহ.) এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Hamid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 05:11:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=2859</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. তোমরা তোমাদের ভালো কাজ এমনভাবে গোপন করো যেমনভাবে খারাপ কাজ গোপন করো। ২. আমার আমল যদি প্রকাশ পায় তবে আমি তাকে কোনো গুরুত্বই দিই না। ৩. তিনি তাঁর পিতাকে বলেছিলেন, “আব্বা, আমি তোমাকে হালাল নয় এমন কিছু খাওয়ানোর ব্যাপারে কখনো হালাল করে দিচ্ছি না।” পিতা বললেন, “যদি হালাল না পাই?” তিনি জবাব দিলেন, “দুনিয়াতে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/">হজরত রাবেয়া বসরি (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. তোমরা তোমাদের ভালো কাজ এমনভাবে গোপন করো যেমনভাবে খারাপ কাজ গোপন করো।</p>
<p>২. আমার আমল যদি প্রকাশ পায় তবে আমি তাকে কোনো গুরুত্বই দিই না।</p>
<p>৩. তিনি তাঁর পিতাকে বলেছিলেন, “আব্বা, আমি তোমাকে হালাল নয় এমন কিছু খাওয়ানোর ব্যাপারে কখনো হালাল করে দিচ্ছি না।” পিতা বললেন, “যদি হালাল না পাই?” তিনি জবাব দিলেন, “দুনিয়াতে ক্ষুধা সহ্য করা আখিরাতে আগুন সহ্য করার চেয়ে সহজ।”</p>
<p>৪. প্রতি রাতে তিনি ছাদের উপর দাঁড়িয়ে বলতেন, “হে আল্লাহ, সকল শব্দ স্তব্ধ হয়েছে, সব নড়াচড়া থেমে গেছে, প্রত্যেকে তার প্রিয়জনের সাথে নির্জনে আছে। আমিও তোমার সাথে নির্জনে আছি। হে প্রিয়তম, আমার এ একান্ত নির্জনতা যেন আমার জন্য মুক্তির মাধ্যম হয়।”</p>
<p>৫. এক নারী তাঁকে বলল, “আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি।” তিনি বললেন, “যার জন্য তুমি আমাকে ভালোবাস, তাকে মেনে চলো।” এক পুরুষ তাঁকে বলল, “আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। ”তিনি বললেন, “যার জন্য ভালোবাস, তার অবাধ্য হয়ো না।”</p>
<p>৬. তিনি প্রার্থনা করতেন, “হে আল্লাহ, যে আমাকে কষ্ট দিয়েছে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম। তাই তুমি আমাকে তাদের কাছ থেকে ক্ষমা করিয়ে নাও যাদের আমি কষ্ট দিয়েছি।”১</p>
<p>৭. শাইবান আল-আবলী বলেন, আমি রাবেয়াকে বলতে শুনেছি, “প্রতিটি জিনিসের একটি ফল আছে, আর আল্লাহর মারেফাতের ফল হলো তাঁর দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ।”</p>
<p>৮. অন্য সূত্রে বর্ণিত আছে, রাবেয়া (রহ.) বলতেন, “আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এই কারণে যে, আমি (যখন বলি) ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’, তখনও আমার ইস্তিগফারে যথেষ্ট আন্তরিকতা থাকে না।”২</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/">হজরত রাবেয়া বসরি (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজরত শাকিক আল-বালখী (রহ.) এঁর বাণী</title>
		<link>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Hamid]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 05:00:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sufigraphy.com/?p=2854</guid>

					<description><![CDATA[<p>১. যদি কোনো মানুষ দুইশ বছর বেঁচে থাকে, কিন্তু এই চারটি বিষয় না জানে, তবে সে মুক্তি পাবে না। ক. আল্লাহকে চেনা। খ. নিজেকে চেনা। গ. আল্লাহর হুকুম ও নিষেধকে চেনা। ঘ. আল্লাহর শত্রু ও নিজের নফসের শত্রুকে চেনা। ২. মুমিনের দৃষ্টান্ত হলো এমন এক ব্যক্তি, যে একটি খেজুর গাছ রোপণ করেছে, কিন্তু ভয় করে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/">হজরত শাকিক আল-বালখী (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১. যদি কোনো মানুষ দুইশ বছর বেঁচে থাকে, কিন্তু এই চারটি বিষয় না জানে, তবে সে মুক্তি পাবে না।</p>
<p>ক. আল্লাহকে চেনা।</p>
<p>খ. নিজেকে চেনা।</p>
<p>গ. আল্লাহর হুকুম ও নিষেধকে চেনা।</p>
<p>ঘ. আল্লাহর শত্রু ও নিজের নফসের শত্রুকে চেনা।</p>
<p>২. মুমিনের দৃষ্টান্ত হলো এমন এক ব্যক্তি, যে একটি খেজুর গাছ রোপণ করেছে, কিন্তু ভয় করে যে এটি কাঁটা ফল দেবে! আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত হলো এমন এক ব্যক্তি, যে কাঁটা রোপণ করেছে, কিন্তু আশা করে যে এটি মিষ্টি খেজুর ফল দেবে! কী দূরাশা!</p>
<p>৩. আমার কাছে অতিথির চেয়ে প্রিয় কিছু নেই; কারণ তার রিজিক আল্লাহর উপর, আর তার আতিথেয়তার সওয়াব আমার জন্য।</p>
<p>৪. তাওবার নিদর্শন হলো অতীতের পাপের জন্য কান্না, পুনরায় পাপে পতিত হওয়ার ভয়, খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করা এবং ভালো লোকদের সাহচর্য অবলম্বন করা।</p>
<p>৫. যে ব্যক্তি বিপদে পড়ে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও কাছে অভিযোগ করে, সে কখনো ইবাদতের মিষ্টতা অনুভব করবে না।১</p>
<p>৬. বুদ্ধিমান ব্যক্তি তিনটি ক্ষেত্রে সীমা অতিক্রম করে না। প্রথমত তিনি পূর্বে করা পাপের জন্য ভয় করে। দ্বিতীয়ত তিনি জানেন না পরের মুহূর্তে তার ওপর কী নেমে আসবে। তৃতীয়ত তিনি ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে ভয় পান, জানেন না কীভাবে তার সমাপ্তি হবে।”  সতর্ক থাক, যাতে তুমি দুনিয়ার কারণে ধ্বংস না হও এবং তুমি নিজের রিজিক নিয়ে চিন্তা করো না যে কেউ তা তোমার পরিবর্তে পাবে। মৃত্যুর সময় প্রস্তুত থাকো, মৃত্যুর পরে ফিরে আসার ব্যাপারে প্রশ্ন করো না। তাওয়াক্কুল মানে তোমার হৃদয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতিতে নিশ্চিন্ত হওয়া। মানুষের তাকওয়া তিনটি বিষয়ে প্রকাশ পায়— গ্রহণে (নিজের জন্য নেওয়া), বিরতিতে (অনিচ্ছাকৃত বা নিষিদ্ধ জিনিস থেকে বিরত থাকা) এবং কথায় (বক্তব্যে সতর্ক থাকা)।</p>
<p>৭. মানুষের মাঝে অধঃপতন ছয়টি কারণে প্রবেশ করেছে।</p>
<p>ক. পরকালের কাজে নিয়্যতের দুর্বলতা।</p>
<p>খ. তাদের দেহ তাদের কামনার বন্দি হয়ে গেছে।</p>
<p>গ. দীর্ঘ আশা তাদের মেয়াদ (মৃত্যুর সময়) সম্পর্কে চিন্তা করার ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছে।</p>
<p>ঘ. তারা নিজেদের ইচ্ছা অনুসরণ করেছে এবং তাদের রসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুন্নাহকে পিছনে ফেলে দিয়েছে।</p>
<p>ঙ. তারা মানুষের সন্তুষ্টিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর অগ্রাধিকার দিয়েছে।</p>
<p>চ. তারা পূর্বপুরুষদের ত্রুটি ও ভুলকে নিজের ধর্ম ও গুণের সমরূপ মনে করেছে।</p>
<p>৮. যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে তার জ্ঞান যাচাই করতে চায়, সে যেন তাকিয়ে দেখে— আল্লাহ তাকে কীসের ওয়াদা দিয়েছেন এবং মানুষ তাকে কীসের ওয়াদা দিয়েছে; তার অন্তর কোনটির প্রতি বেশি আস্থাশীল?</p>
<p>৯. তুমি যা দাও এবং তোমাকে যা দেওয়া হয়, তার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করো। যদি যে তোমাকে দেয়, সে তোমার কাছে বেশি প্রিয় হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে তুমি দুনিয়াকে ভালোবাসো। আর যদি তুমি যাকে দাও, সে তোমার কাছে বেশি প্রিয় হয়, তাহলে তুমি আখেরাতকে ভালোবাসো।</p>
<p>১০. ধনী মানুষের প্রতি সাবধান হও। কারণ যদি তুমি তাদের সঙ্গে হৃদয় মিলাও এবং তাদের প্রতি লোভী হও, তবে তুমি তাদেরকে আল্লাহর স্থলে প্রভু মেনে নিয়েছ।</p>
<p>১১. যদি তুমি শান্তিতে থাকতে চাও, তবে যা পাও তা গ্রহণ কর, যা পাও তা পরিধান কর, এবং আল্লাহ যা তোমার জন্য নির্ধারণ করেছেন তাতে সন্তুষ্ট থাক।</p>
<p>১২. যে ব্যক্তি উচ্চতার (গর্ব, অহংকার) চারপাশে ঘোরে, সে কেবল আগুনের চারপাশে ঘোরে। যে ব্যক্তি প্রবৃত্তির (শাহওয়াতের) আশেপাশে ঘোরাফেরা করে, সে যেন তার জান্নাতের স্তরগুলোকে দুনিয়াতে ভোগ করার জন্য ঘুরছে।২</p>
<p>১৩. তুমি মানুষের সাথে এমনভাবে মিশে থাকো, যেমনভাবে তুমি আগুনের সাথে থাকো। তার উপকার গ্রহণ করো, কিন্তু সাবধান, যেন সে তোমাকে পুড়িয়ে না দেয়।৩</p>
<p>১৪. মুহাম্মদ ইবনে শাকিক ইবনে ইবরাহিম আল-বালখি এবং হাতিম আল-আসম দুজনই বলেছেন, শাকিকের দুটি উপদেশ ছিল। যদি কোনো আরব ব্যক্তি তাঁর কাছে আসত, তখন তিনি তাকে আরবিতে উপদেশ দিতেন— ‘তুমি তোমার অন্তর, জিহ্বা ও ঠোঁট দ্বারা আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করো।’ ‘তোমার হাতে যা আছে তার চেয়ে আল্লাহর প্রতি বেশি আস্থাশীল হও।’ ‘আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট থাকো।’ আর যদি কোনো অনারব ব্যক্তি তাঁর কাছে আসত, তখন তিনি তাকে বলতেন, আমার থেকে তিনটি বৈশিষ্ট্য অর্জন করো। প্রথমত, সত্যকে সংরক্ষণ করা। আর সত্য ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া হয় না। যখন মানুষ একত্রিত হয়ে বলে যে ‘এটি সত্য’, তখন সে যেন সৃষ্টিকুল থেকে নিরাশ হয়ে সওয়াবের আশায় সেই সত্য কাজ করে। দ্বিতীয়ত, মিথ্যা শুধু ঐক্যবদ্ধতা ছাড়া মিথ্যা হয় না। যখন তারা একত্রিত হয়ে বলে যে ‘এটি মিথ্যা’, তখন সে যেন সৃষ্টিকুল থেকে নিরাশ হয়ে মহান আল্লাহর ভয়ে এই মিথ্যাকে পরিহার করে। তৃতীয়ত, যদি তুমি কোনো জিনিস সম্পর্কে না জানো যে, এটি সত্য না মিথ্যা, তবে তোমার উচিত থেমে যাওয়া, যতক্ষণ না তুমি জানতে পারো যে, এটি সত্য নাকি মিথ্যা। কারণ তোমার জন্য কোনো কিছুতে প্রবেশ করা হারাম, যদি না তোমার কাছে সেই বিষয়ে স্পষ্ট প্রমাণ ও জ্ঞান থাকে।</p>
<p>১৫. চারটি জিনিস বান্দার কাছ থেকে আখেরাতের বিষয়টিকে আড়াল করে রেখেছে।</p>
<p>ক. দারিদ্র্যের ভয় জাহান্নামের ভয়কে আড়াল করে দিয়েছে।</p>
<p>খ. মানুষ আমাকে কী বলবে— এই চিন্তাটি ‘আমি এটা করলে আমার রব আমাকে কী বলবেন’ এই চিন্তাটিকে আড়াল করে দিয়েছে।</p>
<p>গ. দুনিয়ার জীবনের ভালোবাসা আখেরাতের ভালোবাসাকে আড়াল করে দিয়েছে।</p>
<p>ঘ. দুনিয়ার জীবনের নিয়ামত, তার প্রতারণা, তার কামনা-বাসনা এবং তার বাহ্যিক সৌন্দর্য— যা তুমি দেখছ, তা আখেরাতের নিয়ামত এবং সেখানে তার জন্য যা প্রস্তুত করা হয়েছে তা থেকে আড়াল করে দিয়েছে</p>
<p>১৬. যখন স্থল ও জলভাগে বিপর্যয় (ফাসাদ) দেখা দেবে, তখন এই চারটি বিষয়ের চেয়ে অদ্ভুত আর কিছু হবে না।</p>
<p>ক. নিজেকে বাঁচানোর জন্য বিবাহ (তাযয়িজ লীল-গালাবাহ্): অর্থাৎ হারাম থেকে বাঁচার জন্য বিবাহ করা।</p>
<p>খ. প্রয়োজনে ঘর তৈরি করা (আল-বাইতু লিল-‘ইদ্দাহ্): অর্থাৎ প্রয়োজনীয় আশ্রয় হিসেবে ঘর নির্মাণ।</p>
<p>গ. সুন্নাহ অনুযায়ী মেহমানদারি (আদ্ব-দ্বিয়াফাহ্ বিস্-সুন্নাহ্): মেহমানদারি করা, লোক দেখানোর জন্য নয়।</p>
<p>ঘ. লোভ ও লোক দেখানো ছাড়া জিহাদ (আল-জিহাদু বিলা ত্বামা’ই ওয়া লা রিয়া’ই): একনিষ্ঠভাবে জিহাদ করা।</p>
<p>The post <a href="https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/">হজরত শাকিক আল-বালখী (রহ.) এঁর বাণী</a> appeared first on <a href="https://sufigraphy.com">Sufigraphy</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sufigraphy.com/%e0%a6%b9%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%96%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%b9-%e0%a6%8f%e0%a6%81%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
