১. তোমরা তোমাদের ভালো কাজ এমনভাবে গোপন করো যেমনভাবে খারাপ কাজ গোপন করো।
২. আমার আমল যদি প্রকাশ পায় তবে আমি তাকে কোনো গুরুত্বই দিই না।
৩. তিনি তাঁর পিতাকে বলেছিলেন, “আব্বা, আমি তোমাকে হালাল নয় এমন কিছু খাওয়ানোর ব্যাপারে কখনো হালাল করে দিচ্ছি না।” পিতা বললেন, “যদি হালাল না পাই?” তিনি জবাব দিলেন, “দুনিয়াতে ক্ষুধা সহ্য করা আখিরাতে আগুন সহ্য করার চেয়ে সহজ।”
৪. প্রতি রাতে তিনি ছাদের উপর দাঁড়িয়ে বলতেন, “হে আল্লাহ, সকল শব্দ স্তব্ধ হয়েছে, সব নড়াচড়া থেমে গেছে, প্রত্যেকে তার প্রিয়জনের সাথে নির্জনে আছে। আমিও তোমার সাথে নির্জনে আছি। হে প্রিয়তম, আমার এ একান্ত নির্জনতা যেন আমার জন্য মুক্তির মাধ্যম হয়।”
৫. এক নারী তাঁকে বলল, “আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি।” তিনি বললেন, “যার জন্য তুমি আমাকে ভালোবাস, তাকে মেনে চলো।” এক পুরুষ তাঁকে বলল, “আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসি। ”তিনি বললেন, “যার জন্য ভালোবাস, তার অবাধ্য হয়ো না।”
৬. তিনি প্রার্থনা করতেন, “হে আল্লাহ, যে আমাকে কষ্ট দিয়েছে, আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম। তাই তুমি আমাকে তাদের কাছ থেকে ক্ষমা করিয়ে নাও যাদের আমি কষ্ট দিয়েছি।”১
৭. শাইবান আল-আবলী বলেন, আমি রাবেয়াকে বলতে শুনেছি, “প্রতিটি জিনিসের একটি ফল আছে, আর আল্লাহর মারেফাতের ফল হলো তাঁর দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ।”
৮. অন্য সূত্রে বর্ণিত আছে, রাবেয়া (রহ.) বলতেন, “আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এই কারণে যে, আমি (যখন বলি) ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’, তখনও আমার ইস্তিগফারে যথেষ্ট আন্তরিকতা থাকে না।”২