১. ওই ব্যক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই, যে বৈধ পথে সম্পদ উপার্জনের ইচ্ছা রাখে না; যার মাধ্যমে সে মানুষের পাওনা (হক) আদায় করবে এবং মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে নিজের চেহারাকে রক্ষা করবে (অর্থাৎ স্বাবলম্বী হবে)।১

২. বান্দা আল্লাহর আনুগত্যের মতো অন্য কোনো কিছু দিয়ে নিজেকে এতটা সম্মানিত করতে পারে না। আবার আল্লাহর অবাধ্যতার মতো অন্য কোনো কিছু দিয়ে নিজেকে এতটা লাঞ্ছিতও করতে পারে না। আর একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য হিসেবে এটুকুই যথেষ্ট যে, সে তার শত্রুকে আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত দেখতে পায়।

৩. আমি আশি বছর বয়সে উপনীত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে নারীদের (ফিতনার) চেয়ে ভয়ের আর কিছু নেই।’ বর্ণনাকারী আরও উল্লেখ করেন যে, তখন তাঁর দৃষ্টিশক্তি প্রায় চলে গিয়েছিল। এমনকি চুরাশি বছর বয়সে, যখন তিনি এক চোখে দেখতে পেতেন না এবং অন্য চোখেও খুব ঝাপসা দেখতেন, তখনও তিনি বলতেন, ‘শয়তান কোনো বিষয়ে নিরাশ হলে সে নারীদের মাধ্যমেই প্ররোচনা দিতে আসে; তাই নারীদের ফিতনাই আমার কাছে সবচেয়ে আশঙ্কার।

৪. আল্লাহর কুদরতি হাত তাঁর বান্দাদের ওপর। যে ব্যক্তি অহংকারবশত নিজেকে বড়ো মনে করে, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন। আর যে আল্লাহর জন্য নিজেকে ছোটো (বিনয়ী) করে, আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেন। মানুষ আল্লাহর ছায়ার নিচেই তাদের আমলসমূহ করে থাকে; যখন আল্লাহ কোনো বান্দাকে অপমানিত করতে চান, তখন তাকে তাঁর নিরাপত্তা ও ছায়া থেকে বের করে দেন, ফলে মানুষের সামনে তার দোষ-ত্রুটি ও গোপন লজ্জা প্রকাশ হয়ে পড়ে।

৫. তোমরা জালিমদের সহযোগীদের দিকে (শ্রদ্ধার সাথে) চোখ ভরে তাকাবে না; বরং অন্তর থেকে তাদের ঘৃণা ও অস্বীকারের সাথেই তাকাবে। অন্যথায় তোমাদের নেক আমলগুলো বরবাদ হয়ে যেতে পারে।

৬. যে ব্যক্তি আল্লাহর মাধ্যমে অমুখাপেক্ষী বা অভাবমুক্ত হয়, মানুষ তার প্রতি মুখাপেক্ষী হয়ে পড়ে।’ (অর্থাৎ যে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করে, আল্লাহ মানুষের হৃদয়ে তার প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করে দেন)।২