ইব্রাহিম আল-আত্রাশ বলেছেন, ‘একবার মারুফ আল-করখি বাগদাদে দজলা (টাইগ্রিস) নদীর তীরে বসেছিলেন। এমন সময় একটি নৌকা পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, যাতে কিছু যুবক মদ্যপান করছিল ও বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছিল। তাঁর সঙ্গীরা তাঁকে বললেন, ‘আপনি কি দেখছেন না? এই লোকগুলো আল্লাহর নাফরমানি করছে, তাও আবার এই পানির ওপর। আপনি তাদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করুন।’
তখন তিনি আকাশের দিকে হাত তুলে বললেন, ‘হে আমার প্রভু ও মনিব, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি, আপনি যেন তাদের জান্নাতে তেমনি আনন্দ দেন, যেমন আনন্দ তাদের দুনিয়াতে দিয়েছেন!’ ‘তাঁর সঙ্গীরা তাঁকে বললেন, ‘আমরা তো আপনাকে তাদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করতে বলেছিলাম, তাদের জন্য দোয়া করতে বলিনি।’ তিনি বললেন, ‘যদি আল্লাহ তাদের পরকালে আনন্দ দেন, তবে তিনি দুনিয়াতেই তাদের তওবা কবুল করে নেবেন, আর এর দ্বারা তোমাদের কোনো ক্ষতি হবে না।’
ইমাম জামালুদ্দিন আবুল ফারাজ ইবনে জাওযী, সিফাতুস সফওয়া, ৪২৪ পৃ:, দারুল কিতাব আল আরাবি, বৈরুত, লেবানন, ২০১২ ইং