১. যে ব্যক্তি তাওবা করতে চায়, সে যেন অন্যায়-অত্যাচার (মানুষের হক নষ্ট করা) থেকে বেরিয়ে আসে, মানুষের সাথে অতিরিক্ত মেলামেশা ত্যাগ করে। অন্যথায় সে তাওবার কাঙ্ক্ষিত ফল পাবে না।
২. যে বান্দা খ্যাতিকে ভালোবাসে, সে কখনও আল্লাহর সাথে সত্যবাদী হতে পারে না।
৩. যে রাজা ন্যায়পরায়ণ নয় সে ডাকাতের সমান। যে আলেম খোদাভীরু নয় সে নেকড়ে-শেয়ালের সমান। আর যে আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে নিজেকে হীন করে, সে কুকুরের সমান।
৪. আহ, কী চমৎকার হতো, যদি এ দীনের প্রকৃত রক্ষক পুরুষ থাকত! যে জ্ঞান আল্লাহর জন্য অর্জন করে, তার কাছে অখ্যাতি প্রিয় হয়ে ওঠে খ্যাতির চেয়ে। আল্লাহর কসম, জীবন এমন কোনো ভরসার জিনিস নয় যে তার বিশ্রামের আশায় থাকা যায়। আর মৃত্যু এমন কোনো নিশ্চয়তাপূর্ণ বিষয় নয় যে তা থেকে নিরাপদ থাকা যায়। তাহলে কেন এই অবহেলা, আলস্য, ভরসার ভান আর দেরি? আমরা আমাদের আমল থেকে শুধু নামকাওয়াস্তে কিছু নিচ্ছি, তাওবা চাওয়ায় দেরি করছি, আর স্থায়ী জীবনের পরিবর্তে ক্ষণস্থায়ী জীবনের সাথে মগ্ন হয়ে আছি।১
৫. ইবরাহিম ইবনু আদহাম সুফিয়ান সাওরীর কাছে লিখেছিলেন, “যে ব্যক্তি জানে যে সে কী চাচ্ছে, তার জন্য যা কিছু উৎসর্গ করতে হয়, তা সহজ হয়ে যায়। যে ব্যক্তি তার দৃষ্টিকে স্বাধীন করে দেয়, তার আফসোস দীর্ঘ হয়। যে ব্যক্তি তার আশাকে দীর্ঘ করে, তার আমল খারাপ হয়ে যায়। যে ব্যক্তি তার জিহ্বাকে স্বাধীন করে দেয়, সে নিজেকে হত্যা করে।”২
৬. বাতিলের প্রতি অধিক দৃষ্টিপাত অন্তর থেকে সত্যের জ্ঞান দূর করে দেয়।
৭. ভিক্ষুকরা কতই না উত্তম, তারা আমাদের পরকালের পাথেয় বহন করে নিয়ে যায়। তাদের কেউ তোমাদের একজনের দরজায় এসে বলে, ‘আপনারা কি (আল্লাহর পথে) কিছু পাঠাবেন?
৮. আমি এক ইবাদতকারী ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করলাম, যার সম্পর্কে বলা হতো যে, তিনি রাতে ঘুমান না। আমি তাকে বললাম, ‘আপনি কেন ঘুমান না?’ তিনি বললেন, ‘কুরআনের আশ্চর্যজনক বিষয়গুলো আমাকে ঘুমোতে দেয় না।৩